বাংলাদেশে এসিড একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প রাসায়নিক হলেও এর অপব্যবহার রোধে কঠোর আইন রয়েছে। তাই এসিড নিয়ে ব্যবসা করতে চাইলে সাধারণ রাসায়নিক ব্যবসার তুলনায় অতিরিক্ত অনুমতি ও নিয়ন্ত্রণ মেনে চলতে হয়।
এসিডের অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশে প্রধানত:
এসিড নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০২
এসিড (আমদানি, উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, বিক্রয় ও ব্যবহার) নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০০৪ প্রযোজ্য। এসব আইনের উদ্দেশ্য হলো এসিডের উৎপাদন, আমদানি, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিক্রয় ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং অপব্যবহার প্রতিরোধ করা।
বাংলাদেশে এসিডের ব্যবহারঃ
এসিড বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হয়, যেমন:
গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল শিল্প
ব্যাটারি উৎপাদন
সার ও রাসায়নিক শিল্প
ধাতু পরিষ্কার (Metal Cleaning)
চামড়া শিল্প
গবেষণাগার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
ওষুধ ও খাদ্য শিল্পের কিছু উৎপাদন প্রক্রিয়া
ব্যবসার সম্ভাবনাঃ
বাংলাদেশে শিল্পায়নের কারণে এসিডের চাহিদা রয়েছে, বিশেষ করে-
ব্যাটারি শিল্প
টেক্সটাইল ও ডাইং
ধাতু ও প্রকৌশল শিল্প
রাসায়নিক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান
ব্যবসায়ীর দায়িত্বঃ
নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা
অনুমোদিত ক্রেতার কাছে বিক্রি করা
বিক্রয় ও মজুদের সঠিক রেকর্ড রাখা
পরিবহনের সময় নিরাপত্তা বিধি মেনে চলা
আইন অনুযায়ী লাইসেন্স নবায়ন করা
এসিড (আমদানি, উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, বিক্রয় ও ব্যবহার) নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা অনুযায়ী লাইসেন্স বিভিন্ন রকম হয়ে থাকেঃ
এসিড (আমদানি, উৎপাদন, মজুদ, পরিবহন, বিক্রয় ও ব্যবহার) লাইসেন্স সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্যঃ